কোনটি দ্বিগু সমাস?
-
ক
পুরুষ সিংহ
-
খ
চৌরাস্তা
-
গ
হাটবাজার
-
ঘ
কোনটিই নয়
দ্বিগু সমাসঃ সমাহার বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয় তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
যেমন:
ত্রিকাল = তিন কালের সমাহার
তেমাথা = তিন মাথার সমাহার
চৌরাস্তা = চার রাস্তার সমাহার
ত্রিপদী = ত্রিপদের সমাহার
ইত্যাদি
যে সমাসে সমস্যমান পদসমূহে পূর্বপদ সংখ্যাবাচক বিশেষণ হয় এবং উত্তর পদ বিশেষ্য থাকে তাকে দ্বিগু সমাস বলে। অথবা সমাহার বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদে যে সমাস হয় তাকে দ্বিগু সমাস বলে। দ্বিগু সমাস সর্বদা সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়।
লক্ষনীয়ঃ পূর্বপদে সংখ্যাবাচক শব্দ থাকলে, ওই শব্দ দিয়ে যদি সমাহার বা সমষ্টি না বোঝায় এবং পরপদের অর্থ প্রাধান্য না পায়, তবে তা দ্বিগু সমাস নয়। অর্থের দিক থেকে দ্বিগু সমাসে পরপদের অর্থই প্রধান।
সমাসবদ্ধ শব্দটির বিশেষণ হলে বা পূর্বপদ ও পরপদের অর্থ প্রাধান্য না পেয়ে তৃতীয় কোনো অর্থ প্রাধান্য পেলে তা হবে বহুব্রীহি সমাস। যেমনঃ তে (তিন) পায়া যায় = তেপায়া; দোনলা, ত্রিনয়ন
উভয় পদের অর্থ প্রদান হলে তা হবে দ্বন্দ্ব সমাস। যেমনঃ সাতপাঁচ।
সমষ্টি বা সমাহার না বুঝিয়ে পরপদের অর্থ প্রধান হলেন কর্মধারায় সমাস হয়। যেমনঃ চতুর্দোলা।
দ্বিগু সমাস নির্ণয়ের সহজ উপায়
দ্বিগু সমাসে সাধারণত প্রথম পদটি সংখ্যাবাচক হয় এবং পর পদটি হবে বিশেষ্য।
সমস্তপদটি দ্বারা সমষ্টি বা সমাহার বোঝায় এবং সমস্তপদটি বিশেষ্য পদ হয়। যেমনঃ তে (তিন) মাথার সমাহার = তেমাথা, নব (নয় ) রত্নের সমাহার = নবরত্ন ইত্যাদি।
দ্বিগু সমাস কখনো অ-কারান্ত হলে আ-কারান্ত হলে বা ই-কারান্ত হয়। যেমনঃ শত অব্দের সমাহার = শতাব্দী। এ রুপ - ত্রিপদী, পঞ্চনদ (নদী নয়)।
Related Question
View All-
ক
চৌচালা
-
খ
ত্রিফলা
-
গ
শতাদ্বী
-
ঘ
পঞ্চনদ
-
ক
আপাদমস্তক
-
খ
রুই কাতলা
-
গ
একরোখা
-
ঘ
কোনোটিই নয়
-
ক
শতাব্দী
-
খ
উপজেলা
-
গ
রাজপথ
-
ঘ
চৌচালা
-
ক
সাতসমুদ্র
-
খ
প্রতিদিন
-
গ
নীলকণ্ঠ
-
ঘ
মুখেভাত
-
ক
দম্পতি
-
খ
ক্রোধানল
-
গ
ষড়ঋতু
-
ঘ
তৈলাক্ত
-
ঙ
কোনোটিই নয়
-
ক
পুরুষসিংহ
-
খ
কাপুরুষ
-
গ
হাটবাজার
-
ঘ
চৌরাস্তা
-
ঙ
কোনোটিই নয়
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!